বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নদী ভালবাসা ও নদী নির্ভরতার সামান্য প্রমাণ

আপামর বাঙালির সামনে এক প্রজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বরাবর শ্রদ্ধার আসনে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই বঙ্গবন্ধুর নদী নিয়েও যে বিশেষ ভাবনা ছিল, তার কথা অনেকেই জানে না। শেখ মুজিবুর রহমান আসলে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী ও জলাশয়কে বুকে ধারণ করে চলতেন। তাইতো তিনি অনায়াসে বলতে পারেন নিজেকে ‘পানির দেশের মানুষ’। এভাবে তিনিই বলতে পারেন যার জলের প্রতি ভালবাসা আছে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, সত্যিকারের নদীমাতৃক দেশ বলতে যা বোঝায় তা হল বাংলাদেশ। একেবারে জলের দেশ বলতে যা বোঝায় তাই। ট্রেনে যেতে যেতে দেখেছি দূরে নদী অথবা জলাশয় থাকলেও জমির গোড়ায়…

বাঁচলে নদী বাঁচবে দেশ : ড. মীজানুর রহমান

কীর্তনখোলার ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ নদীতে মাছ ধরে জীবন যাপন করছে

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান >>  নদীমাতৃক বাংলাদেশ কথাটির অর্থ, বাংলাদেশ নামক দেশটির মা বা জননী হচ্ছে নদী। গঙ্গার পানির সঙ্গে আসা পলি জমে জমে সৃষ্টি হয়েছিল এই ব-দ্বীপ। এ হচ্ছে বাংলাদেশের ভূ-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য যা মানুষের নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের মতো কাছাকাছি ধারণা। আর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঠিকানাও কিন্তু নদী। পাকিস্তানি আধা-ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির লক্ষ্যে মধুমতির তীরে জন্ম নেওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যে বাংলাদেশের জন্য আমরা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করেছিলাম তার ঠিকানাও ছিল আমাদের তিনটি প্রধান নদীর নামে। ‘তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা-মেঘনা-যমুনা’; এটাই ছিল আমাদের রাজনৈতিক ঠিকানা। বাংলার সমাজ-রাজনীতি-অর্থনীতি-শিল্প-সংস্কৃতি সবকিছুতেই…