রাজেশ ধর এর গল্প-  ‘জলমুক্তি জিন্দাবাদ’

রাজেশ ধর এর গল্প-  ‘জলমুক্তি জিন্দাবাদ’

‘দাদ্দু, জলমুক্তি কী গ!’ চুপ করে থাকে বিষাণ সিং। কাঁধের ছেঁড়া রঙচটা লাল গামছা দিয়ে পিঠটা ঝেড়ে নেয়। মনে হয় দু-চারটে ডেউয়া পিঁপড়ে ঘুরঘুর করছে। এখনো কামড়ায়নি। বড্ড বিষ, জ্বালা করে! ‘হেই দাদ্দু, এই গামছাটো হামাক দিবা কিন্তুক। হামি ইটো লিয়ে শাড়ি বানাইবো।’ একটুখানি হাসে বিষাণ। আবার তাকিয়ে থাকে ‘দামোদরজীর’ দিকে। বর্ষা এসে গেছে, তাও দু’সপ্তাহ। কিন্তু আকাশে কালো মেঘ কই! ‘দামোদরজীর’ বুকে জল নেই। তিন মাইল চওড়া নদীর বুকে আড়াআড়ি হাত তিরিশেক জল। তার মাঝে হাত নয়-দশ গভীর, মানে বুক সমান জল। তবে স্রোত আছে। লোকজনেরা নদীকে জানে। এখানে,…

দূষণের প্রতিবাদ : ৫ জুন বুড়িগঙ্গায় গণগোসল

দূষণের প্রতিবাদ : ৫ জুন বুড়িগঙ্গায় গণগোসল

বুড়িগঙ্গা নদী ঢাকা শহরের জন্য শুধু অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণই নয়, বরং এটি ঢাকার ত্রাণকর্তাও। এই নদী দেশের অনেক এলাকাকে সংযুক্ত করে রেখেছে। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে প্রায় ৫.১ মিলিয়ন মানুষ বাস করে। আজ এই নদী সামগ্রিকভাবে দূষণে জর্জরিত। কল-কারখানার রাসায়নিক বর্জ্য, গৃহস্থালির বর্জ্য, চিকিৎসা বর্জ্য, পয়োনিষ্কাশন, মৃত প্রাণী, প্লাস্টিক ও তেল বুড়িগঙ্গাকে প্রতিনিয়তই দূষণ করে চলেছে। ঢাকা শহর প্রতিদিন প্রায় ৪,৫০০ টন কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন করে এবং এর বেশিরভাগই বুড়িগঙ্গায় পতিত হয়। বুড়িগঙ্গার দূষণের কারণে আশপাশের পরিবেশ, সামুদ্রিক জীবন ও মানুষ সবই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বুড়িগঙ্গার এই দূষণ অত্র অঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য…